Coffee Enema: What Is It, Does It Work, and Is It Safe?

নিজে যেহেতু কফি না খেলে সকালে জম্বি জম্বি ফীল করি, তাই ভাবলাম সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল, স্যরি! ‘মেগা ভাইরাল’ হওয়া কফি এনেমা জিনিসটা কি একটু বোঝার চেষ্টা করি।

A minimalist editorial illustration showing a cup of coffee beside a coffee-filled enema bag and a simplified illustration of the human colon, highlighting the contrast between drinking coffee and the controversial practice of coffee enemas.

তার আগে একটা অদ্ভুত বিষয় নিয়ে আলাপ করি। কিছুদিন আগে Law & Order-এর ১২তম সিজনের ১৮ নম্বর এপিসোড দেখছিলাম, আর সেখানে একটা জিনিস জানলাম যেটা শুনে আমার চোক্ষু চড়কগাছ! মানে, “butt-chugging” বলে একটা কিছু আছে আমি জানতাম না। মুখে দুর্গন্ধ হবে বলে কেউ কেউ নাকি এলকোহল মুখে না খেয়ে সরাসরি rectum দিয়ে শরীরে ঢোকায়! এর পেছনে যুক্তিও আছে অবশ্য, rectum-এর lining দিয়ে alcohol খুব দ্রুত bloodstream-এ চলে যায়, তাই নেশাও হয় দ্রুত। কিন্তু ঠিক এই কারণেই এটা বিপজ্জনক – শরীর তাৎক্ষণিকভাবে এলকোহলের প্রভাব সামলানোর সময়টুকুও পায় না। এখানে একটা সাধারণ নিয়ম কাজ করে: কোনো জিনিস শরীরে ঢোকানোর পথ বদলে দিলে সেটা কতটা দ্রুত আর কীভাবে শরীরে মিশে যাবে, সেটাও বদলে যায়। মেডিসিনে এই যুক্তিতেই তো suppository ব্যবহার হয় – যদিও উদ্দেশ্য আর pharmacology একদমই আলাদা, বলাই বাহুল্য।

যাই হোক, আসল কথায় আসি। Coffee enema মানে কফি না খেয়ে সেটাকে rectum দিয়ে সরাসরি colon-এ পাঠানো। আর এর সাথে জুড়ে দেওয়া হয় “detox”, “colon cleansing”, “লিভার পরিষ্কার” – এমনকি নানারকম রোগ সারানোর দাবিও। আমার প্রথম প্রশ্নই ছিল, কফি তো মুখে খেলেই caffeine শরীরে যায়, এটা কি সবাই জানে না? তাহলে অন্য পথে ঢোকানোর দরকারটা কী? নাকি আমরা আবার সেই পুরনো ফাঁদে পড়ছি – “natural মানেই harmless”, “detox মানেই healthy”?

কফি এনেমার ভক্তরা বলেন, কফিতে থাকা caffeine আর অন্যান্য bioactive compound নাকি colon-এ গিয়ে bile flow বাড়ায়, liver-কে স্টিমুলেট করে, আর শরীর থেকে “toxin” বের করে দেয়। শুনতে দারুণ লাগে, তাই না? “Detox” শব্দটাই তো ম্যাজিকাল- শরীরে ময়লা জমেছে, সেটা এক ঝটকায় বের করে ফেললাম, শরীর যেন আবার ফ্যাক্টরি রিসেট।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের শরীর কোনো কম্পিউটার না যে মাঝেমধ্যে ক্লিন-আপ চালাতে হয়। লিভার আর কিডনি চব্বিশ ঘণ্টাই এই কাজ করে যাচ্ছে – রক্ত থেকে বর্জ্য ছেঁকে বের করে দেওয়া এদের রোজকার রুটিন কাজ। তাই আলাদা করে কফি দিয়ে “প্লাম্বিং সিস্টেম” বসানোর আইডিয়াটাই একটু সন্দেহজনক শোনায়। মজার (এবং একটু চিন্তার) ব্যাপার হলো, কফি এনেমা নিয়ে যত দাবি শোনা যায়, তার পক্ষে ভালো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ প্রায় নেই বললেই চলে। তবে, এনেমা মানেই কিন্তু pseudoscience না। মেডিসিনে এনেমার ব্যবহার আছে, যেমন গুরুতর constipation-এ, বা কোনো diagnostic procedure-এর আগে bowel ক্লিয়ার করতে। রেক্টাম দিয়ে liquid ঢোকানো মানেই সেটা ভুয়া চিকিৎসা না।

কিন্তু “কফি এনেমা” আর মেডিক্যালি ইন্ডিউসড এনেমা এক জিনিস না। আসল প্রশ্ন হলো – কফি ঢুকিয়ে বাড়তি লাভটা কী?

Caffeine-এর কথা যদি বলি, সেটা তো কফি খেয়েই সহজে পাওয়া যায়। Colon দিয়ে ঢোকালে কোনো ম্যাজিক্যাল বেনিফিট নেই, বরং উল্টো ঝামেলা আছে। Colon কোনো Starbucks ব্র্যাঞ্চ না যে সেখানে espresso পাঠালেই শরীর খুশি হয়ে যাবে! বরং coffee enema থেকে rectum বা colon-এ irritation, inflammation, burn, dehydration, electrolyte imbalance, এমনকি খুব খারাপ ক্ষেত্রে intestinal injury পর্যন্ত হতে পারে।

আর একটা কথা মনে রাখা দরকার – “প্রাকৃতিক” মানেই “নিরাপদ” না। Poison ivy-ও প্রাকৃতিক। বিষাক্ত মাশরুমও প্রাকৃতিক। সাপের বিষও তো প্রাকৃতিক। এই প্রাকৃতিক বিষেইতো বিলাসীর পার্টনার মৃত্যুঞ্জয় মারা গিয়েছিল! আসল প্রশ্ন হওয়া উচিত — জিনিসটা আসলে কীভাবে কাজ করে, এর উপকারিতার প্রমাণ কতটা শক্তপোক্ত, আর রিস্কটা কতটা।

তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায় — এত দুর্বল প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মানুষ এটা করছে কেন? আমার মনে হয়, আসল মজাটা এখানেই লুকিয়ে। এটা আসলে কফি বা এনেমার গল্প না, এটা আমাদের নিজেদের শরীর সম্পর্কে অজ্ঞতার গল্প। শরীরের কোন অরগ্যান আসলে কী করে, সেটা নিয়ে আমাদের ধারণা এখনো এতটাই অস্পষ্ট যে “আট কুঠুরি নয় দরজা”-র মতো রহস্যই যেন রয়ে গেছে এতদিনে। আর এই অজানার জায়গা থেকেই একটা সহজ বিশ্বাস তৈরি হয় — শরীরের ভেতরে নিশ্চয়ই কোথাও “ময়লা” জমে আছে, আর সেটা কোনোভাবে বের করে দিতে পারলেই আমরা সুস্থ হয়ে যাব। সোশ্যাল মিডিয়া এই বিশ্বাসটাকেই এমনভাবে প্যাকেজ করেছে যে মেডিক্যাল জার্গনের চেয়ে “detox your body” ঢের বেশি শেয়ারেবল।

সকালে এক কাপ কফি খাওয়াটা আমরা সবাই বুঝি। কিন্তু কফি দিয়ে কোলন “ডিটক্স” করার আইডিয়া কীভাবে মেগা ভাইরাল হয়ে গেল – সেই গল্পটাই আসলে বেশি ইন্টারেস্টিং। কারণ এখানে কফি যতটা না গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আমাদের wellness culture আসলে কীভাবে কাজ করে।

ধর্ষণের বিচার ত্রিশ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে

তখন আমার বয়স সাত কি আট। আমাদের বাড়িতে সেসময়ে মাটির ভিটির ঘর, সম্ভবত টিনের বেড়া। গ্রামের অধিকাংশ ঘরই তখন এমন। টিন যারা কিনতে পারতো না, তারা ছন দিয়ে ঘর বানাতো।

তো, একদিন চোর ধরা পড়লো। সবাই বলাবলি করতে লাগলো অমুকের বাড়িতে শিংওয়ালা চোর (সিঁধেলচোর) ধরা পড়েছে। তাকে বাজারে নিয়ে পেটানো হচ্ছে, আচ্ছামত গণধোলাই যাকে বলে আরকি! বেজায় কৌতুহল জাগলো! গরু, ছাগলের এবং ভেঁড়ার শিং দেখেছি, তখন আমাদের ওদিকে মহিষ একদমই ছিলনা। তাই এর বাইরে তেমন ‘শিংওয়ালা প্রাণী’ দেখার সৌভাগ্য হয়নি। এখন যেহেতু বাজারে শিংওয়ালা চোর আছে, এই সুযোগ হাতছাড়া করা যাবেনা। আমি আর আমার দুই বছরের বড় চাচাতো ভাই মিলে মহাউৎসাহে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। একটু ভয়ও পাচ্ছিলাম পাছে যদি গুতো দেয়!

বাজারে গিয়ে আগ্রহের আর সীমা থাকলো না। বাজারের ঠিক মাঝে খুব সম্ভবত অর্জুন গাছ ছিল। সেই গাছের চারপাশে শ’কতক মানুষ গোলাকার হয়ে ভীড় করে দাঁড়িয়ে আছে। মাঝে কে যেন মানুষের মতো শব্দ করে গোঙাচ্ছে। আমরা বহুকষ্টে ভীড় ঠেলে ভেতরে যা দেখলাম তাতে হতাশই হতে হলো! এ কি! এতো মানুষের মতো দেখতে একজনকে বেঁধে রেখেছে! আর তার শিং কোথায়! নাকি শিং ভেঙে ফেললো? এসব ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফিরে জানলাম চোরদের শিং থাকেনা। চোরেরাও মানুষ। তারা অভাবের তাড়নায় চুরি করে।

চোরদের নিয়ে সমাজে স্টিগমার অন্ত নাই। কিন্তু আবার যে অত্যন্ত বড়মাপের চোর, সমাজে তার ‘সম্মান’, ‘প্রতিপত্তির’ সীমা নাই। এই স্টিগমা যদি ধর্ষকদের প্রতি থাকতো, যদি এদেরকে সমাজে বয়কট করা হতো, একঘরে করে রাখা হতো, তাহলে সম্ভবত ধর্ষকামীতা কিছুটা হ্রাস পেত।

কিন্তু ধর্ষণতো অধিকাংশ ক্ষেত্রে যৌনাকাঙ্ক্ষা থেকে করা হয়না, ধর্ষণ করা হয় ক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে। ক্ষমতার বলয়ে থেকে তাই এই ধর্ষকরা সমাজে টিকে যায়, অদৃশ্য শক্তি এদের টিকিয়ে রাখে।

গণধোলাই বা ক্রসফায়ার আসলে অপরাধ নির্মূলের মাধ্যম না। সমাজে এই অপরাধ প্রবণতা কমাতে গেলে আগাছাকে বাড়তে দেওয়া যাবেনা, আগেই নিংড়ে ফেলতে হবে। এজন্যে আগাছা নিধন অভিযান চালাতে হবে। রেইপিস্ট এবং পটেনশিয়াল রেইপিস্টরা আপনার, আমার চেয়ে অনেক দূর্বল। এদেরকে প্রতিহত করা কঠিন কাজ না। নির্মূল অভিযান আপনি শুরু করুন, দেখবেন শত শত মানুষ আপনাকে অনুসরণ করবে।

কিন্তু যে আগাছা ইতোমধ্যে বড় হয়ে গিয়েছে? আসুন দাবি তুলি ধর্ষণের বিচার ত্রিশ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। যৌন সহিংসতা ঘটলে সেটাকে সংবেদনশীল হয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ধর্ষণ বা যৌন সহিংসতা সংক্রান্ত অপরাধকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করতে হবে।

অনলাইনে নিজেকে যেভাবে সুরক্ষিত রাখবেন

সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট বা ইমেইল একাউন্ট হ্যাকড হওয়ার ঘটনা প্রায় প্রতিদিনই টাইমলাইনে দেখি। একাউন্ট হ্যাকড হওয়ার কিছু সাধারণ কারণ আছে।

১। অনেকে সহজে অনুমেয় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন (যেমনঃ নিজের বা কাছের কারো ফোন নম্বর, জন্মতারিখ, জেলা বা থানার নাম, গ্রামের নাম, পছন্দের মুভির নাম, বইয়ের নাম, লেখকের নাম ইত্যাদি)। এরকম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলেও এর সাথে নম্বর বা/এবং বিভিন্ন সিম্বল জুড়ে দিতে হবে। পাসওয়ার্ডে অক্ষর, নম্বর এবং বিভিন্ন সাইন ব্যবহার করলে হ্যাকারদের পাসওয়ার্ড অনুমান করা কঠিন হয়।

২। পাসওয়ার্ডে ন্যুনতম ৮ অক্ষর ব্যবহার করতে হবে। পাসওয়ার্ড অপেক্ষাকৃত বড় হলে অধিকতর নিরাপদও হবে। এক্ষেত্রে মনে রাখার বিষয় আসে। এজন্যে একটা প্যাটার্ন ব্যবহার করতে হবে যেন আপনি ভুলে না যান। প্রয়োজনে, পাসওয়ার্ড মনে থাকে এরকম কিছু হিন্ট নিরাপদ কোথাও লিখে রাখতে পারেন।

৩। অনেকে ইমেইল এবং অন্যান্য একাউন্টে অভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে। এটা করা একদমই ঠিক না। আপনার ইমেইল হলো আপনার অনলাইন রক্ষাকবচ। কোনো কারণে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে ইমেইলের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড রিসেট করতে হয়। আর, আপনি যদি ইমেইল এবং অন্যান্য একাউন্টে (যেমনঃ ফেসবুক, জুম ইত্যাদি) একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার যেকোনো একাউন্ট হ্যাক করে বাকিগুলোও হাতিয়ে নেওয়া সম্বব। তাই, ইমেইল একাউন্টে সবচেয়ে কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং অন্যান্য একাউন্টে ভিন্নভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

৪। হ্যাকিংয়ের ঘটনা মূলত ঘটে রিকভারি ইমেইলের মাধ্যমে। আপনার ইমেইল আইডি যখন খোলা হয়েছে তখন হয়তো আপনার প্রযুক্তি জ্ঞান খুব কম ছিল, কিংবা কোনো বন্ধু আপনার ইমেইল আইডি খুলে দিয়েছিল। তখন তার ইমেইল আইডি হয়তো রিকভারি ইমেইল বা সেকেন্ডারি ইমেইল একাউন্ট হিসেবে দেওয়া ছিল। কিন্তু আপনি আর কখনোই সেই ইমেইল আইডির দিকে নজর দেননি। ফলে, আপনার ওই বন্ধুর আইডি কোনোভাবে হ্যাকড হলে আপনার আইডিও সহজেই হ্যাকড হতে পারে। একারণে, সেকেন্ডারি বা রিকভারি ইমেইল হিসেবে কোন আইডি ব্যবহার করছেন, সেই আইডির নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত কিনা এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

৫। ইমেইল বা সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করতে হবে। এর ফলে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জেনে থাকলেও এবং আপনার একাউন্টে লগিন করতে চাইলে আপনার ফোনে এবং/অথবা ইমেইলে একটি কোড আসবে। আপনি সেই কোড প্রবেশ না করালে আইডিতে লগিন করা সম্ভব হবেনা। তবে, এখানেও খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার ব্যবহৃত ফোন নম্বরটি এবং ইমেইল ঠিকানাটির নিরাপত্তা ব্যবস্থাও শক্তিশালী হয়, যেন কোনোভাবে অন্যকেউ সেই কোড জেনে না যায়।

৬। অনেকে অনিরাপদ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে থাকেন। পপআপ উইন্ডো ব্লক করা না থাকলে ব্রাউজারে নতুন উইন্ডো ওপেন হয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট লোড হতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব উইন্ডোতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হলেও অনেক সময় ম্যালওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে নিরাপদ হলো ব্রাউজারে এমন একটি প্লাগিন ইন্সটল করে রাখা যেটা এই পপআপ উইন্ডো ব্লক করে রাখবে।

৭। আপনি যদি প্রবেশ করার আগে ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা বিষয়ে সন্দিহান হন, তাহলে ব্রাউজারের ইনকগনিতো বা প্রাইভেট ম্যুড ব্যবহার করুন। কোনো ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত তথ্য প্রবেশ করানোর আগে খেয়াল করুন ব্রাউজারের এড্রেস বারে এর শুরুতে লেখা আছে কিনা। শুধু থাকলে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য প্রবেশ করানো থেকে বিরত থাকুন।

৮। সোশ্যাল মিডিয়ায় পাওয়া কোনো এক্সটার্নাল লিংকে ক্লিক করলে যদি আইডি এবং পাসওয়ার্ড চায়, তাহলে দেখে নিন ব্রাউজারের এড্রেস বারে সেই সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা দেখাচ্ছে কিনা। অনেকসময় সামান্য বানান হেরফের করে (যেমনঃ Facebook এর বদলে Facibook, Fasebook etc) একইরকম দেখতে ওয়েবসাইট বানিয়ে আইডি পাসওয়ার্ড চুরির ঘটনা ঘটে।

The TED Video that Inspires Me as a Teacher

Teaching is a transformative job that requires visionary understanding of the young minds of the students. Most teachers fail to make their students understand that getting good grades is not the sole purpose of education, it is what knowledge they achieve that counts.

Salman Khan of Khan Academy gave a talk at TED on the need for teaching for mastery, not for good grades.

He spoke my mind!