দেয়াল বই রিভিউয়ের সারসংক্ষেপ
হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস দেয়াল (অন্যপ্রকাশ, হার্ডকভার) কিশোরী অবন্তি, তার ভীতু দাদা সরফরাজ খান আর গৃহশিক্ষক শফিকের সংসারের হাসি-মেশানো গল্পের পাশে ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তন ও তার পরের কয়েক বছরের রাজনৈতিক ঘটনা তুলে ধরে; বইটি লেখকের মৃত্যুর পর প্রকাশিত, আর ভূমিকা লিখেছেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। সংলাপে ঠাসা ঘরোয়া অংশ ও চরিত্রচিত্রণ এর বড় শক্তি; দুর্বলতা হলো শেষের দিকে গল্প পাতলা হয়ে ঘটনাপঞ্জির মতো হয়ে যাওয়া, আর ভূমিকায় উল্লিখিত কিছু তথ্যগত ত্রুটি। সব মিলিয়ে বইটি উপন্যাস হিসেবে পড়ার মতো, ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে নয়।
একনজরে দেয়াল বই রিভিউ
- বইয়ের নাম
- দেয়াল
- লেখক
- হুমায়ূন আহমেদ
- ধরন
- ঐতিহাসিক উপন্যাস (রকমারির শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী)
- মূল আলোচ্য
- কিশোরী অবন্তি ও তার দাদা সরফরাজ খানের সংসারের গল্পের পাশে ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তন ও তার পরের কয়েক বছরের রাজনৈতিক ঘটনার বিবরণ।
- যা ভালো লেগেছে
- দাদা সরফরাজ খান আর বৃদ্ধ রাধানাথ বাবুর মজার সংলাপ।
- যেখানে সীমাবদ্ধতা
- শেষের দিকে গল্প পাতলা হয়ে ইতিহাসের ঘটনাপঞ্জির মতো হয়ে যায়।
- কারা পড়তে পারেন
- হালকা হাসি আর ইতিহাসের মিশেল যাঁদের পছন্দ।
- আমার মূল্যায়ন
- উপন্যাস হিসেবে পড়ার মতো, ইতিহাসের বই হিসেবে নয়। ইতিহাসের অংশ অন্য সূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া ভালো।

দেয়াল বইয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
আমার নানাবাড়ি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায়। ছোটবেলার অধিকাংশ সময়ই কেটেছে নানুবাড়িতে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেশে চলমান রাজনৈতিক গন্ডগোলের খবর শুনতাম প্রতিবেশি মামার রেডিওতে। বলছি নব্বই দশকের কথা। পুরোনো রাজনীতির কথা উঠলেই মামা গলা নামিয়ে বলতেন, “আস্তে বল, দেয়ালেরও কান আছে।” তখন হাসতাম। হুমায়ূন আহমেদের দেয়াল পড়তে পড়তে সেই মামার মুখটা বারবার মনে পড়ছিল, তাই এই দেয়াল বই রিভিউ ওখান থেকেই শুরু করলাম।
বইটা হুমায়ূন আহমেদের চেনা ঘরানার, আবার পুরোপুরি চেনাও না। তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত এই উপন্যাসের ভূমিকা লিখেছেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। প্রকাশক অন্যপ্রকাশ, সংস্করণ হার্ডকভার।
দেয়াল উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ
ভাদ্র মাসের এক সন্ধ্যায় ধানমন্ডির এক চায়ের দোকানে বৃষ্টিতে আটকে বসে আছে শফিক। অবন্তির জন্মদিনের উপহার, বিভূতিভূষণের ইছামতী, তার হাতে। অবন্তি ষোলো বছরের মেয়ে, ইন্টারমিডিয়েটে পড়ে। শফিক তার গৃহশিক্ষক। অবন্তির দাদা সরফরাজ খান অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। সাহসের জন্য পদক পেয়েছেন, অথচ নাতনি জানায়, তাঁর মতো ভীতু মানুষ সে জীবনে দেখেনি। মা ইসাবেলা দেশ ছেড়ে স্পেনে থাকেন, বছরে দুটো চিঠি পাঠান: একটা জন্মদিনে, আরেকটা ক্রিসমাসে।
এই সংসারের পাশে আরেকটা ধারা চলে: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে শুরু করে পরের বছরগুলোর রাজনৈতিক ঘটনা। দুই ধারা মেলে সরফরাজ খানের পরিচিতদের মধ্য দিয়ে, যাঁদের কেউ কেউ সেই ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। বাকিটুকু পাঠকের জন্য থাকল।
দেয়াল বই রিভিউ: গল্প, চরিত্র ও লেখার ধরন
আমার কাছে দেয়াল-কে মনে হয়েছে দুটো স্বাদের বই। প্রথমটা আমরা হুমায়ূন আহমেদের কাছে যা চাই: ঘরোয়া, সংলাপে ঠাসা, হাসি-মেশানো। দ্বিতীয়টা তারিখ ধরে এগোনো ঘটনার বিবরণ। প্রথম স্বাদ ভালো জমে। দ্বিতীয়টা কোথাও দারুণ কাজ করে, কোথাও করে না।
কাজ করে সেখানে, যেখানে বড় ইতিহাস ছোট মানুষের জীবনের ভেতর দিয়ে ঢোকে। হরিদাসের চুল কাটার দোকানের অধ্যায়টা তার উদাহরণ। হরিদাস খদ্দেরদের বলে বেড়ায়, সে স্বয়ং বঙ্গবন্ধুর চুল তিনবার কেটেছে। ১৫ আগস্টের শেষরাতে একটা ট্যাংকের ধাক্কায় তার দোকান ভেঙে পড়ে। ওই দিনের শুরুটা লেখক এভাবেই ধরেন, ভাষণ বা ব্যাখ্যা ছাড়া, একটা নাপিতের দোকানের ভাঙনের ভেতর দিয়ে। আরেকটা মজার ব্যাপার, লেখক নিজেও এই গল্পে হাজির। শুরুতে নিজের নাম তৃতীয়জনের মতো উল্লেখ করেন, পরে “আমি” হয়ে ওঠেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের এক সামান্য শিক্ষক হিসেবে বাকশালে যোগ দেওয়ার চাপের ভয়ের অধ্যায়টা তাঁর নিজের চোখে দেখা।
দেয়াল
রকমারিতে বইটি দেখুন দাম, বিবরণ ও পাঠকের মন্তব্য দেখুনএই লিংকটি অ্যাফিলিয়েট। এর মাধ্যমে কিনলে আপনার খরচ বাড়ে না, কিন্তু আমরা সামান্য কমিশন পাই।
হুমায়ূন আহমেদের লেখায় হাস্যরস ও সমাজচিত্র

সিলেটের ট্রেনে একবার পাশের সিটের এক বৃদ্ধকে যে কথাই জিজ্ঞেস করি, উত্তর একটাই: “বাদ দাও বাবা।” সরফরাজ খানকে প্রথম দেখেই তাঁর কথা মনে পড়ল। সরফরাজ খানের বুলি “ফরগেট ইট!” মাছ রান্নায় কী দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নের জবাবেও তিনি তা-ই বলেন। অথচ এই মানুষটাই একাত্তরে নাতনিকে বোরকা পরিয়ে ঢাকা ছেড়ে পালান, নৌকার পাটাতনের নিচে তাকে লুকিয়ে রেখে পুরো পথ আতঙ্কে কাটান, আর বারবার অজু করেন যেন পবিত্র অবস্থায় মরতে পারেন। হাসতে হাসতে পাঠক বুঝে যান, এই ভীতু মানুষের ভয়টা অমূলক নয়।
রাধানাথ বাবু আরেক মজার চরিত্র। বয়স পঁয়ষট্টি, শুচিবায়ুগ্রস্ত, কারও গায়ে গা লাগলে সঙ্গে সঙ্গে স্নান করেন। শফিককে দিয়ে খবরের কাগজ পড়ান, আর তাঁর যুক্তি অদ্ভুত: খারাপ খবরেও ভালো দিক খুঁজে নেওয়া যায়, কারণ যুক্তিবিদ্যা অতি দুর্বল বিদ্যা, সবদিকে খাটানো যায়। এই কথাবার্তা পড়তে পড়তে হাসি পায়, আবার মনে হয় একটা ভয়ের সময়ে মানুষ কীভাবে মাথা ঠান্ডা রাখতে যুক্তিকে নিয়ে খেলে।
অবন্তির মায়ের স্পেন থেকে পাঠানো চিঠিগুলোও আলাদা মজার। সেখানে বয়ফ্রেন্ড, কফি শপ আর ঝগড়ার গল্প চলে, আর দূরের একটা জগৎ ঢাকার ভীতু ঘরের পাশে বসে থাকে। সব মিলিয়ে সমাজের ভয়টা এখানে ঘরের ভেতর থেকে দেখা।
দেয়াল বইয়ের ভালো-মন্দ দিক
ভালো দিক আগে। চরিত্রগুলো প্রাণবন্ত, বিশেষ করে সরফরাজ খান আর রাধানাথ বাবু। সংলাপে হুমায়ূন আহমেদের পুরোনো হাতের ছাপ স্পষ্ট। আর ভয়ের পরিবেশটা তৈরি হয় বাড়াবাড়ি ছাড়াই, একটা বন্ধ জানালার ফাঁক দিয়ে বাইরে তাকানোর ছবির মতো।
এবার সীমাবদ্ধতা। বইয়ের শেষের দিকে এসে গল্প পাতলা হয়ে যায়। কাহিনি থামিয়ে তারিখ ধরে ঘটনার বিবরণ চলে, আর শেষ অংশে কয়েক বছর এক লাফে পেরিয়ে উপসংহারে পৌঁছানো হয়। ভূমিকায় আনিসুজ্জামান নিজেই বলেছেন, ইতিহাসের ওই শোকাবহ অধ্যায়ের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ বইয়ে নেই, আর তথ্যগত কিছু ত্রুটি রয়ে গেছে। কিছু ঐতিহাসিক চরিত্রের উপস্থাপন, কাকে প্রশংসা আর কাকে ব্যঙ্গ, সবার কাছে সমানভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। গ্রন্থাকারে প্রকাশের আগেই বইটা নিয়ে বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়ায়, আর হাইকোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী লেখাটা পরিবর্তিত রূপে বই হয়ে আসে। তাই ইতিহাস জানতে চাইলে এই বইকে একমাত্র সূত্র বানাবেন না।
দেয়াল পড়তে চাইলে বইটি এখনই অর্ডার করুন
রকমারি থেকে সমগ্র বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি।
অ্যাফিলিয়েট লিংক: আপনার খরচ বাড়ে না, আমরা সামান্য কমিশন পাই।
দেয়াল বইটি কাদের পড়া উচিত?
যাঁরা হুমায়ূন আহমেদের হাসি-মেশানো সংসারের গল্প পছন্দ করেন, এখানে সেটা পাবেন। যাঁরা ১৯৭৫ সালের ঘটনা নিয়ে উপন্যাসের ঢঙে কিছু পড়তে চান, তাঁদের জন্যও বইটা কাজের, যদি তাঁরা উপন্যাস আর ইতিহাসের তফাত মাথায় রাখেন।
যাঁরা নিরপেক্ষ, বিশ্লেষণধর্মী ইতিহাস খুঁজছেন, তাঁরা অন্য বই বেছে নিন। আবার যাঁরা শুধু হালকা মজার গল্প চান, তাঁদের কাছে শেষের দিকটা ভারী লাগতে পারে।
দেয়াল বই রিভিউ: শেষ পর্যন্ত পড়া উচিত কি?
আমার উত্তর হ্যাঁ, কিন্তু একটা শর্তসহ। দেয়াল কেনার সবচেয়ে বড় কারণ অবন্তি আর সরফরাজ খানের ঘর। ওই ঘরের হাসি আর ভয় একসঙ্গে ধরা, আর বইটা ততক্ষণ সবচেয়ে ভালো, যতক্ষণ সেখানে থাকে। ইতিহাসের অংশ পড়ে কৌতূহল জাগলে সেটা পরে আলাদা সূত্র থেকে মিলিয়ে নিন। এই প্রত্যাশা নিয়ে কিনলে বইটা আপনাকে হতাশ করবে না। আর বরিশালের সেই মামার কথাটা শেষে আবার বলি: দেয়াল পড়ে মনে হয়, ভয়ের ভেতরেও মানুষ হাসতে জানে।
“`htmlপাঠকের চোখে দেয়াল
দেয়াল নিয়ে পাঠকদের মতামত
হুমায়ূন আহমেদের ঐতিহাসিক উপন্যাসটি নিয়ে অন্য পাঠকদের অভিজ্ঞতাও বেশ বৈচিত্র্যময়। রকমারিতে প্রকাশিত পাঠক-রেটিং ও মন্তব্য থেকে নির্বাচিত কয়েকটি মতামত এখানে তুলে ধরা হলো।
৪৮৪টি রেটিং · ২২৩টি লিখিত রিভিউ
অনেক পাঠক বইটির ইতিহাসনির্ভর কাহিনি ও সহজপাঠ্য বর্ণনার প্রশংসা করেছেন। আবার কেউ কেউ শেষাংশের গতি, ঐতিহাসিক নিরপেক্ষতা এবং লেখকের অসমাপ্ত রেখে যাওয়া কাহিনি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই দুই অভিজ্ঞতাই বইটি বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
“ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মানুষের অভিজ্ঞতা উপন্যাসের আকারে তুলে ধরার জন্য অনেক পাঠক বইটিকে মূল্যবান মনে করেছেন।
“ একজন পাঠক বইটিকে বর্ণনা করেছেন: “তথ্যবহুল, সুখপাঠ্য বই!” ইতিহাসের জটিল সময়কে গল্পের ভেতর দিয়ে জানার অভিজ্ঞতা অনেকের কাছেই বইটির বড় আকর্ষণ।
“ কয়েকজন পাঠকের আক্ষেপ, উপন্যাসটি আরও বিস্তৃত হতে পারত। অবন্তি ও শফিকের ভবিষ্যৎ এবং কাহিনির পরিণতি সম্পর্কে আরও জানার ইচ্ছা থেকেই যায়।
“ কিছু পাঠকের মতে, নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের উপস্থাপনে লেখকের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব রয়েছে। তাই উপন্যাসটিকে উপভোগ করার পাশাপাশি ঐতিহাসিক তথ্য অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা ভালো।
দেয়াল-এর প্রধান আকর্ষণ শুধু ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং ব্যক্তিগত জীবন, স্মৃতি, হাস্যরস ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সংমিশ্রণ। তবে এটি ইতিহাসগ্রন্থ নয়, ঐতিহাসিক উপাদাননির্ভর উপন্যাস। তাই সাহিত্যিক অভিজ্ঞতা ও ঐতিহাসিক সত্য যাচাইকে আলাদা করে দেখা জরুরি।
হুমায়ুন আহমেদ মারা যাবার এতো বছর পরেও বহুল পঠিত লেখক। তাঁর লেখা কিছুক্ষণ বইইয়ের রিভিউ অথবা ময়ূরাক্ষীর রিভিউও পাবেন আমার ওয়েবসাইটে।
দেয়াল বই নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)
কিশোরী অবন্তি, তার দাদা সরফরাজ খান আর গৃহশিক্ষক শফিককে নিয়ে একটা সংসারের গল্প। পাশাপাশি ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক ঘটনা এখানে আরেকটা ধারা হয়ে চলে। হাসি-মেশানো ঘরোয়া অংশ আর ইতিহাসের অংশ মিলে বইটা দাঁড়িয়েছে।
লেখক হুমায়ূন আহমেদ। বইটা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত, আর ভূমিকা লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। ভূমিকায় তিনি বইয়ের গঠন, ঐতিহাসিক অংশ আর সীমাবদ্ধতা নিয়ে নিজের মত জানিয়েছেন।
এটা উপন্যাস, ইতিহাসগ্রন্থ নয়। ভূমিকাতেই আনিসুজ্জামান বলেছেন, তথ্যগত ত্রুটি রয়ে গেছে। তাই ১৯৭৫ সালের ঘটনা সঠিকভাবে জানতে চাইলে অন্য সূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে পড়ুন। গল্প হিসেবে পড়লে বইটা উপভোগ্য।
হ্যাঁ, তবে ১৯৭৫ সালের ঘটনা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকলে পড়তে সুবিধা হয়। প্রথম দিকের সংসারের অংশ সহজ ও মজার, নতুন পাঠকও এখান থেকে সহজেই ঢুকে যেতে পারবেন।
সরফরাজ খান আর রাধানাথ বাবুর মতো চরিত্রের জন্য, আর হাসি ও ভয় একসঙ্গে ধরার জন্য। ১৯৭৫ সালের পটভূমিতে উপন্যাস পড়তে চাইলেও এটা একটা পরিচিত নাম। শুধু মাথায় রাখবেন, শেষের দিকটা তুলনায় পাতলা।
প্রকাশক অন্যপ্রকাশ, সংস্করণ হার্ডকভার। রকমারিতে আজ (১৪ অক্টোবর ২০২৬) মূল দাম ৫০০ টাকা, ১৪% ছাড়ে ৪৩০ টাকা। পৃষ্ঠা সংখ্যা – ১৯৮। দাম বদলাতে পারে, তাই কেনার আগে দেখে নিন।